আলিফ হোসেন, তানোর : রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় একশ্রেণীর জনবিচ্ছিন্ন বগি (আক্যামা) নেতা মনোনয়ন পাবেন না নিশ্চিত হয়েও নিজেরা এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী দাবি করে জামায়াত-বিএনপির দুঃশাসন ও আওয়ামী লীগের অর্জন জনগণের মাঝে তুলে না ধরে স্থানীয় সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও বিষাদোগার করে তৃণমূলের তোপের মূখে রাজনীতির মাঠে থেকে রাতারাতি উধাও বলে গুঞ্জন বইছে। সম্প্রতি একটি মতবিনিময় সভায় এসব নেতা এক মঞ্চে উপস্থিত হয়ে এমপি ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে রাজনীতির মাঠের পানি ঘোলা ও ঘোলা পানিতে মাছ শিকার এবং তৃণমূলের সাড়া পেতে ব্যর্থ ও প্রতিকুল পরিস্থিতি টের পেয়ে রাতারাতি রাজনীতির মাঠে থেকে উধাও হয়েছে। এদিকে এসব বগি নেতাদের অনুসারিদের আক্ষেপ তারা যদি ভোটের মাঠ থেকে রাতারাতি উধাও হবেন তাহলে তাদের কোনো বির্তকিত করা হলো ফলেও তারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় (জোক করে) বলছে ৭ এমপি উধাও ও তাদের নিয়ে রসালো আড্ডা জমে উঠেছে। আবার এদের মধ্যে এমন নেতা রয়েছে গভীর নলকুপের অপারেটর আবার কারো কারো ইউপি সদস্য নির্বচিত হবার মতো যোগ্যতা নাই। তাহলে তারা কি উদ্দেশ্যে এমপি হবার থোয়াব দেখছে না কি ? আওয়ামী লীগ বিরোধীদের কাছে থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির বি-টিম হয়ে আওয়ামী লীগের সম্ভবনাময় গোছানো মাঠ নস্ট করতে অপপ্রয়াস চালাচ্ছে এসব প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলে। আর বিষয়টি পরিস্কার হবার পর পরই তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে ও বিস্ফোরণমূখ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তৃণমূলের বিক্ষুদের কাছে এরা দ্বিগম্বর বা গণপিটুনির শিকার হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না বলেও প্রচার রয়েছে। তৃণমূলের অভিমত, রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন যে কেউ প্রত্যাশা বা চাইতেই পারে। কিšত্ত দলের নেতা ও দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা অনৈতিক তাদের আসল উদ্দেশ্যে দলীয় মনোনয়ন না অন্যকিছু। এদিকে এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সর্থকগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি একটাই যারা দলের ভিতরে থেকে দলের ক্ষতি করতে মরিয়া তারা যেনো আর এমপির কাছে আসতে না পারে। তৃণমূলের দাবি আওয়ামী লীগ ও এমপির সমর্থন ব্যতিত যারা ইউপি সদস্য নির্বাচিত হবার মতো যোগ্যতা রাখে না তারা কি এমন করতে পারে সেটা তারাও দেখতে চাই। ফলে এরা এখন না পারছেন এমপির কাছে আসতে না পারছেন রাজনীতির মাঠে নামতে ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ বা ভিক্ষা চাইনা কুত্তা সামলাও’ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে রাজনীতিতে থেকে ক্রমেই দুরে সরে যাচ্ছে তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের অভিমত, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা-বিশ্বাস ও পচ্ছন্দের জেলা সভাপতি এমপি ওমর ফারুক চৌধূরী। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সিলেকশনের মাধ্যমে ওমর ফারুক চৌধূরীকে জেলা সভাপতি করা হয়। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমপি ফারুকের কোনো বিকল্প নাই পরিছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, সাংগঠনিক জ্ঞান-রাজনৈতিক দূরদর্শীতা সম্পন্ন কর্মী ও জনবান্ধব নেতা এমপি ফারুক চৌধূরীও এদের অপপ্রচারের শিকার হয়েছে। অথচ তিনি জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামানের ভাগ্নে একবার প্রতিমন্ত্রী ও দু;বারের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন, এসব বিবেচনায় রাজশাহীতে তিনি তো দলের সভাপতি ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নৌকার প্রতিনিধি। তাহলে যারা আদর্শিক দাবি করে ব্যক্তি আক্রোশে তার সমালোচনা করছে তারা তো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নৌকার বিরোধীতা করছে তায় নয় কি ?। তৃণমূল বলছে, যারা আদর্শিক দাবি করে জামায়াত-বিএনপির দুঃশাসন ও আওয়ামী লীগের অর্জন তুলে না ধরে এমপিকে দোষারোপ করছে তারা আসলে কেমন আদর্শিক বা কতটা সাংগঠনিক,কর্মী-জনবান্ধব সেটি আগে খতিয়ে দেখা দরকার। এছাড়াও যারা আদর্শিক দাবি করে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছে এমপি ফারুক চৌধূরীর থেকে তাদের কি এমন ভালো গুন বা সাংগঠনিক অবদান রয়েছে যে প্রায় বার বছরের দক্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাদ দিয়ে নতুন মূখের প্রার্থী দিবেন আওয়ামী লীগ সেটিও তো নেতাকর্মী ও সাধারণের জানার অধিকার রয়েছে। তাদের দাবি সমর্থন করে যদি এমপি ফারুক চৌধূরীকে মনোনয়ন দেয়া না হয় তাহলে তো তার শূণ্য স্থান পূরুণে তাঁর থেকে বেশি গ্রহণযোগ্য ও ভালো মানের নেতা বা প্রার্থী দিতে হবে। তাহলে আদর্শিক বলে যারা মনোনয়ন দাবি করছে তাদের মধ্যে এমন কেউ কি এমপি ফারুক চৌধূরীর থেকে বেশি জনপ্রিয় বা কর্মী-জনবান্ধব অথবা বড় মাপের নেতা রয়েছে সেটাও তো খতিয়ে দেখা দরকার না কি ? আর যদি না থাকে তাহলে কোনো তিনি মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হবেন, যার নেতৃত্বে রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের নবউঙ্খান তাকে যদি বনোনয়ন বঞ্চিত করা হয় তাহলে যারা লাফালাফি করছে তাদের কি অবদান বা গুনের জন্য মনোনয়ন দিবে এসব তাদের নিছক বগি আওয়াজ ছাড়া কিছু নয় এমন হাজারো প্রশ্ন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, বাংলাদেশে প্রতিটি নির্বাচনের মৌসুমে হেভিওয়েট প্রার্থীদের চাপে রেখে সুবিধা আদায় করতে নানা অপচেস্টা হয়। এরা আসলে দলের প্রতি কৃতজ্ঞ নয় এরা টাকার লোভে জামায়াত-বিএনপির বি-টিম হয়ে কাজ করছে। এব্যাপারে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
- » সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ : ভূমিমন্ত্রীর সংবাদ বর্জনের ঘোষণা
- » তানোরে একটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে দায় নিবে কে ?
- » তানোরে আলু চাষের ধূম
- » স্বর্ণ ব্যবসায়ী যখন ভূমিদূস্যু
- » রাজশাহী অঞ্চলে জঙ্গি উঙ্খান অভিযোগের তীর সাবেক মন্ত্রীর দিকে ?
- » প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে !
- » তানোর বিএমডিএ’র ইঁদুর-বেড়াল খেলা
- » ব্যারিস্টারের গলার কাঁটা শাহিন
- » তানোরে ময়না ক্যাবল নেওয়ার্কের উদ্বোধন
- » তানোরে সাঁওতাল পল্লীতে বিনামূল্য স্যানেটিশন সামগ্রী বিতরণ










Leave a Reply