Protv bangla : মাননীয় আদালত, এই মামলার এজাহারকারী জনাব মোঃ হারুন-অর-রশীদ পি.ডব্লিউ-১ হিসাবে অত্র মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তার জবানবন্দির কিছু অংশ আমাকে শুনানো হয়েছে। পি. ডব্লিউ-১ হারুন-অর-রশীদ মামলা দায়েরের পূর্বে অনুসন্ধান কার্য করেছেন বলে দাবী করেন।
তিনি গত ২৫/০৬/২০০৮ তারিখ একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন। তার পূর্বে গত ১১/০৬/২০০৮ তারিখে দুদকের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ নুর আহাম্মদও একটি পুর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনে জনাব মোঃ নুর আহাম্মদ এই মামলায় আমার কোনরূপ সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় আমার বিরুদ্ধে তিনি কোন মতামত প্রদান করেন নি।
অথচ মোঃ নুর আহাম্মদ কর্তৃক এইরূপ একটি পুর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের পর সম্পূর্ণ বে-আইনী ভাবে জনাব হারুন-অর-রশীদকে একই বিষয়ে পুনরায় অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি আমার বিরুদ্ধে কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই গত ২৫/০৬/২০০৮ তারিখে একটি মনগড়া অনুসন্ধান রিপোর্ট দাখিল করেন।
মাননীয় আদালত, এই দুইটি অনুসন্ধান রিপোর্ট পাশাপাশি পর্যালোচনা করলে আপনি দেখতে পাবেন অনুসন্ধান রিপোর্ট দুইটি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিল হওয়া স্বত্ত্বেও দুইটি রিপোর্টের ভাষা, বাক্য ও শব্দ চয়ন এক ও অভিন্ন। ১১/০৬/২০০৮ তারিখের রিপোর্টে ‘সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক জনাব মোঃ আজিজুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়’। মর্মে একটি বাক্য রয়েছে। ২৫/০৬/২০০৮ তারিখের রিপোর্টেও ‘সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক জনাব মোঃ আজিজুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়’। মর্মে অনুরূপ একটি বাক্য রয়েছে। দুইটি রিপোর্টের দুইটি বাক্যেই “আজিজুল” নামটি কেটে একই হাতে আজিজুলের উপরে ‘মফিজুল’ নামটি বসানো হয়েছে।
দুইজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা কর্তৃক দুইটি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দুইটি ভিন্ন ভিন্ন রিপোর্ট দাখিল করা হলে একই হাতের লেখায় একই নাম অনুরূপভাবে কাটাকাটি কী করে সম্ভব তা আপনি বিবেচনা করে দেখবেন। এতে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, সাক্ষী হারুন-অর-রশীদ কোনো নিরপেক্ষ অনুসন্ধান না করে একটি মহল কর্তৃক নির্দেশিত হয়ে পূর্বের রিপোর্ট অর্থাৎ নুর আহাম্মদ কর্তৃক ১১/০৬/২০০৮ তারিখের রিপোর্টটিই হুবহু প্রিন্ট করে রিপোর্টের শেষাংশে শুধু আমার নামটি সংযোজন করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা সাক্ষী হারুন-অর-রশীদ নিরপেক্ষ অনুসন্ধান না করে নিজেই দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করে একটি অসত্য রিপোর্ট দাখিল করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। ফলে এই সাক্ষীর সাক্ষ্য আইনের দৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য।
মাননীয় আদালত, আমার বক্তব্য হচ্ছে ১১/০৬/২০০৮ তারিখের রিপোর্টে আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে কোনো প্রাথমিক অভিযোগ না পাওয়ায় পি.ডব্লিউ-১ হারুন-অর-রশীদকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এবং বে-আইনীভাবে পুনরায় অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা-২০০৭ অনুযায়ী একই ব্যক্তি কর্তৃক বারবার কিংবা একই বিষয়ে বারবার অনুসন্ধান কিংবা প্রতিবেদন দাখিলের কোনো আইনগত বিধান নাই।
মাননীয় আদালত,পি. ডব্লিউ-১ হারুন-অর-রশীদ সম্পূর্ণরূপে একজন ইন্টারেস্টেড সাক্ষী। তিনি অতি উৎসাহী। আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ। এই মামলায় একই সাথে তিনি অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা, মামলার বাদী এবং তিনিই এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ফলে তিনি নিরপেক্ষ কোনো অনুসন্ধান করেন নাই বা নিরপেক্ষ কোনো তদন্তও করেন নাই।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
- » এমপি ফারুক ফের প্রমাণ করলেন কেনো তাঁর বিকল্প নাই
- » জনগণ মুক্তি চায়; পরিবর্তন চায় : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
- » এবার মধ্যবর্তি নির্বাচনে ভারতের চাপঃ উৎফুল্ল বিএনপি, দিশাহারা আওয়ামী লীগ !
- » ২০ শে নভেম্বরকে ঘিরে যে টার্গেট নিলো বিএনপি
- » পঞ্চগড়ে আগাম আমনে কৃষকের মুখে হাঁসি
- » পঞ্চগড়ের বোদায় কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ৫ আসামি গ্রেফতার
- » পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থানার ওসির অপসারণ দাবি
- » তানোরে নেতা তৈরির কারখানা !
- » খালেদা জিয়া ফিরছেন ১৮ অক্টোবর
- » বিএনপির সঙ্গে সংলাপে ইসি। অসুস্হ শরীর নিয়েও উপস্থিত জননেতা তরিকুল ইসলাম।










Leave a Reply